শিশুদের বেশিরভাগ সমস্যায় পরিকল্পনা করে এগোনো যায়। কয়েকটিতে যায় না। এর কোনো একটি দেখলে সেদিনই হাসপাতালে যান। পরবর্তী চেম্বারের দিনের জন্য অপেক্ষা করবেন না, এবং নাড়ী আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকলে যাত্রার সময় কিছু খাওয়াবেন না।
সেদিনই যান
- ছেলেশিশুর অণ্ডথলিতে হঠাৎ ব্যথা বা ফোলা। অণ্ডকোষ পেঁচিয়ে গেলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে নষ্ট হতে পারে।
- সবুজ বমি, যেকোনো বয়সে, বিশেষ করে নবজাতকের।
- কুঁচকির ফোলা যা আর ঢুকছে না, সঙ্গে কান্না বা বমি।
- হঠাৎ তীব্র কান্নার ঝাপটা, পা গুটিয়ে ফেলা বা লাল জেলির মতো পায়খানা।
- পেট ফোলা ও শক্ত, বা পেট ব্যথার সঙ্গে শিশু ফ্যাকাশে ও ঝিমাচ্ছে।
- জন্মের ৪৮ ঘণ্টায় মল না হওয়া নবজাতক, বা মলদ্বার না থাকা।
- ডান তলপেটে ব্যথা, জ্বর ও বমি (অ্যাপেন্ডিসাইটিসের সম্ভাবনা)।
সঙ্গে যা নেবেন
আগের সব রিপোর্ট, স্ক্যানের ছবি এবং শিশু যেসব ওষুধ খায়। কোথায় যাবেন নিশ্চিত না হলে সিরিয়াল নম্বরে কল করুন।
এরপর
প্রতিটি সমস্যার বিস্তারিত এই সাইটের সমস্যা-পাতায় আছে। কিছু জরুরি কি না নিশ্চিত না হলে শিশুকে দেখিয়ে নেওয়াই ভালো।
এই পাতাটি অভিভাবকদের সাধারণ তথ্য প্রদানের জন্য। প্রতিটি শিশু আলাদা, পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর একজন অভিজ্ঞ শিশু সার্জন তার রোগ ও চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ধারণ করেন। কাজেই যেকোনো সমস্যায় অবশ্যই রেজিস্টার্ড শিশু সার্জনের পরামর্শ নিন।