হাইপোস্পেডিয়াস কী?
হাইপোস্পেডিয়াসে প্রস্রাবের ছিদ্র লিঙ্গের ডগায় না থেকে নিচের দিকে, ডগার ঠিক নিচ থেকে শুরু করে আরও পেছন পর্যন্ত যেকোনো জায়গায় থাকে। এটি জন্ম থেকেই থাকে।
যা দেখে বুঝবেন
- প্রস্রাবের ছিদ্র লিঙ্গের নিচের দিকে।
- অগ্রত্বক টুপির মতো, পেছনে খোলা, সামনে অসম্পূর্ণ।
- লিঙ্গ নিচের দিকে বাঁকা থাকতে পারে, বিশেষ করে শক্ত হলে।
- প্রস্রাবের ধারা ছড়িয়ে যেতে পারে বা নিচের দিকে যেতে পারে।
সবার আগে
- শিশু সার্জন পরীক্ষা করার আগে খৎনা করাবেন না। অপারেশনে অনেক সময় অগ্রত্বকটি লাগে।
চিকিৎসা
অপারেশনে প্রস্রাবের নালী নতুন করে তৈরি করা হয়, লিঙ্গ সোজা করা হয় এবং স্বাভাবিক দেখতে ডগা গড়ে দেওয়া হয়। সাধারণত ৬ থেকে ১৮ মাস বয়সের মধ্যে অজ্ঞান করে করা হয়। হালকা ধরনে একবার অপারেশনই যথেষ্ট; জটিল ধরনে দুই ধাপে করতে হতে পারে। অপারেশনের পর অল্প সময় ক্যাথেটার বা ড্রেসিং থাকে। ফলো-আপের পরিকল্পনা সার্জন ঠিক করে দেন।
সাধারণ প্রশ্ন
ফেলে রাখলে কি ক্ষতি?
প্রস্রাবের ধারা ও লিঙ্গের গঠনে সমস্যা থাকে, দাঁড়িয়ে প্রস্রাবে অসুবিধা এবং বড় হয়ে জটিলতা হতে পারে। তাই অপারেশনের পরামর্শ দেওয়া হয়।
ডে-কেয়ারে কি করা যায়?
হালকা কিছু ধরনে যায়; অন্যগুলোতে অল্প সময় ভর্তি থাকতে হয়। শিশুকে পরীক্ষা করে সার্জন ঠিক করেন।
এই পাতাটি অভিভাবকদের সাধারণ তথ্য প্রদানের জন্য। প্রতিটি শিশু আলাদা, পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর একজন অভিজ্ঞ শিশু সার্জন তার রোগ ও চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ধারণ করেন। কাজেই যেকোনো সমস্যায় অবশ্যই রেজিস্টার্ড শিশু সার্জনের পরামর্শ নিন।