অভিভাবকরা যা লক্ষ্য করেন
- শক্ত, শুকনো বা ছাগলের নাদির মতো পায়খানা, বা কয়েক দিন পরপর পায়খানা।
- পায়খানার সময় ব্যথা, কান্না, বা চেপে রাখা।
- মাঝে মাঝে পেট ব্যথা, খিদে কম।
- ছোট ফাটল থেকে পায়খানায় রক্তের দাগ।
- শক্ত মলের পাশ দিয়ে তরল মল বেরিয়ে অন্তর্বাস নোংরা হওয়া।
সাধারণ কারণ
আঁশ বা পানি কম খাওয়া, ব্যথার ভয়ে পায়খানা চেপে রাখা, স্কুলে বেগ উপেক্ষা করা, রুটিন বা টয়লেট প্র্যাকটিসে পরিবর্তন। বেশিরভাগ শিশুর ক্ষেত্রে পেছনে কোনো রোগ থাকে না।
বাড়িতে যা সাহায্য করে
- বেশি ফল, সবজি ও পানি; দুধ পরিমিত।
- খাওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ে টয়লেটে বসানো, পা রাখার ছোট টুল দিয়ে।
- প্রশংসা করুন, চাপ নয়।
- ল্যাক্সেটিভ চিকিৎসা, অভ্যাস নয়। ডাক্তারের পরামর্শমতো ব্যবহার করুন এবং যতদিন বলা হয় ততদিন চালান; আগে বন্ধ করলে সমস্যা ফিরে আসে।
দ্রুত শিশু সার্জনকে দেখান যদি
- নবজাতকের জন্মের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রথম পায়খানা না হয়, বা জন্ম থেকেই কোষ্ঠকাঠিন্য।
- পেট ফোলা, বা সবুজ রঙের বমি।
- শিশুর ওজন বাড়ছে না, বা কোষ্ঠকাঠিন্যের সঙ্গে জ্বর ও রক্তমিশ্রিত পাতলা পায়খানা।
- মলদ্বার নেই, বা ভুল জায়গায় মনে হচ্ছে।
কিছু শিশুর হার্সপ্রুং রোগ থাকে, যেখানে নাড়ীর একটি অংশে স্নায়ুকোষ থাকে না, অথবা মলদ্বারের কাছে গঠনগত সমস্যা থাকে। পরীক্ষায় নির্ণয় করে অপারেশনে চিকিৎসা করা হয়।
সাধারণ প্রশ্ন
নিয়মিত কৃমির ওষুধ খাওয়ানো কি দরকারি?
কৃমির সংক্রমণে শিশুর পেটের সমস্যা হতে পারে। শিশুর বয়স অনুযায়ী ডাক্তারের পরামর্শ মানুন।
চিকিৎসা কতদিন চলে?
প্রায়ই কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস। আগে বন্ধ করবেন না।
এই পাতাটি অভিভাবকদের সাধারণ তথ্য প্রদানের জন্য। প্রতিটি শিশু আলাদা, পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর একজন অভিজ্ঞ শিশু সার্জন তার রোগ ও চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ধারণ করেন। কাজেই যেকোনো সমস্যায় অবশ্যই রেজিস্টার্ড শিশু সার্জনের পরামর্শ নিন।