ডা. শাওন জন্মের প্রথম ঘণ্টা থেকেই শিশুদের চিকিৎসা করেন। নবজাতকের অস্ত্রোপচারে সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; প্রথম ধাপই হলো কিছু ঠিক নেই তা বুঝতে পারা এবং শিশুকে নিরাপদে সঠিক হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া।
নবজাতকের সতর্ক লক্ষণ। এখনই শিশু সার্জন আছেন এমন হাসপাতালে যান
- সবুজ (পিত্তমিশ্রিত) বমি, বা প্রতিবার খাওয়ানোর পর বমি।
- প্রথম খাওয়ানোয় মুখে ফেনা, বিষম বা কাশি (খাদ্যনালীর সমস্যা হতে পারে)।
- পেট ফোলা, বা জন্মের প্রায় ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মল না হওয়া।
- মলদ্বার নেই, বা প্রথম দিনে প্রস্রাব হয়নি।
- পেটের দেয়াল বা পিঠে যেকোনো ফোলা, ফাঁক বা আবরণহীন অংশ।
- দ্রুত বা কষ্টকর শ্বাস, বা নীল রং।
যেসব সমস্যার চিকিৎসা
- খাদ্যনালীর এট্রেসিয়া ও খাদ্যনালীর অন্যান্য সমস্যা
- নাড়ী আটকে যাওয়া ও পেঁচিয়ে যাওয়া, ইন্টেস্টিনাল এট্রেসিয়াসহ
- মলদ্বার না থাকা (আলাদা পাতা দেখুন) ও হার্সপ্রুং রোগ
- পেটের দেয়াল ও নাভীর ত্রুটি
- ছোট ও অপরিণত শিশুর কুঁচকির হার্নিয়া
- জন্মের সময় বা গর্ভাবস্থার স্ক্যানে ধরা পড়া কিছু টিউমার ও সিস্ট
- বুক ও পেটের অন্যান্য জন্মগত ত্রুটি
অসুস্থ নবজাতককে কীভাবে নেবেন
শিশুকে গরম রাখুন, বমি বা নাড়ী আটকে যাওয়ার সন্দেহ থাকলে খাওয়াবেন না, এবং সব কাগজপত্র ও স্ক্যানের রিপোর্ট নিয়ে যান। কোথায় নেবেন জানতে সিরিয়াল নম্বরে কল করতে পারেন।
সাধারণ প্রশ্ন
জন্মগত ত্রুটি কি জন্মের আগে ধরা যায়?
অনেকগুলো গর্ভাবস্থার স্ক্যানে দেখা যায়। স্ক্যানে কিছু ধরা পড়লে সার্জনকে জানান এবং নবজাতকের সার্জন আছেন এমন জায়গায় প্রসবের পরিকল্পনা করুন।
খুব ছোট শিশুর অপারেশন কি নিরাপদে হয়?
ছোট শিশুর উপযোগী অজ্ঞান ও যত্ন নিয়ে নবজাতকের অপারেশন করা হয়। আপনার শিশুর নির্দিষ্ট ঝুঁকি নিয়ে সার্জনের সঙ্গে কথা বলুন।
এই পাতাটি অভিভাবকদের সাধারণ তথ্য প্রদানের জন্য। প্রতিটি শিশু আলাদা, পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর একজন অভিজ্ঞ শিশু সার্জন তার রোগ ও চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ধারণ করেন। কাজেই যেকোনো সমস্যায় অবশ্যই রেজিস্টার্ড শিশু সার্জনের পরামর্শ নিন।